Friday March 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৭:৩৮ PM

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

কন্টেন্ট: পাতা

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সেবার মান বৃদ্ধি, সেবাকে সম্পূর্ণভাবে ডিজিটালাইজ করা, একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্য ভাণ্ডার তৈরি করা, এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা। এছাড়াও, যোগ্য উপকারভোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভুলভাবে উপকারভোগী নির্বাচন (G2P পদ্ধতিতে) করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মূল পরিকল্পনাগুলো হলো:
  • ডিজিটালাইজেশন: সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটালাইজ করা, যাতে সেবাগ্রহীতাদের জন্য সেবা গ্রহণ সহজ হয়।
  • সমন্বিত ডিজিটাল তথ্য ভান্ডার: সকল সেবাগ্রহীতার একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্য ভান্ডার তৈরি করা, যা সেবা প্রদানে সহায়ক হবে।
  • G2P পদ্ধতিতে ভাতা প্রদান: সরকারি-টু-প্রাইভেট (G2P) পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের মাধ্যমে যোগ্য উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভুলভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করা।
  • সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল: সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের প্রভাব মূল্যায়নের মাধ্যমে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
  • সেবার মান উন্নয়ন: সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে কার্যকর পরিষেবা প্রদান এবং সেবার মান বৃদ্ধি করা।
  • শুদ্ধাচার ও উদ্ভাবন: সেবাদানে শুদ্ধাচার অনুশীলন নিশ্চিত করা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন